Posts

কবিতার ন্যাকামি

কবিতার ন্যাকামি ✍️ রিন্টু সাহা কবিতা ফবিতা সব ই তা শালা লাথি মেরে চলে যাব অনেক হয়েছে প্যানপ্যান ন্যাকামি আর নয় এসব এতে আসলে হয়নি হয়না কিছুই যেমন হয়না রোজগার গতর না খাটালে এক টাকাও তেমনি ইন্টেলেকচুয়াল ভাওয়ালের শালা ফরফর করে শব্দ ই বের হয় শব পোড়ে না আগুন না জ্বালালে দুর্ভিক্ষ জিইয়ে রাখে সরকার তুমি আমি খিদে তে ছটফটালে  তবেই ওদের পতাকা উড়বে যেনে গেছে কবেই তাই সবেই মাতব্বরি তোমার দরকার একটা চাকরি হবে না বস দেবেনা যেনে নাও রাস্তায় যত ই মশার কামড়ে রাত কাটাও বিপ্লব দরকার তারচেয়ে বেশি তরকারি রেশন পাও মাগনা আর কি বেশি দরকারি যাও যাও সব গোটাও চিল্লিয়ে যত ই গলা ফাটাও চিড়ে ভিজবে না ওতে লড়ো মর বেঁচে থাক কোন মতে কবিতা ফবিতা লিখে বা পড়ে সময় নষ্ট পাতা ফাতা ছিঁড়ে ফেল জঞ্জাল স্তুপে যা হচ্ছে হয় যা মেনে নাও নইলে অদৃশ্য ইশারা ডাস্টবিন বা ঝোপঝাড় এ পাবে খুঁজে নিজের প্রাণহীন দেহ নিভবে আরো একটি আগুন জানবে না কেহ

প্রেমিকের কাদম্বরী জীবন

প্রেমিকের কাদম্বরী জীবন রিন্টু সাহা প্রতি প্রেমিক জীবন গল্পে একজন কাদম্বরী রয়! বাঁধা ধরা সংসারী প্রেম নয়, শাশ্বত হৃদয়ের গহীনে লুকিয়ে এই প্রেম। যে প্রেমে থাকে না দায়দায়িত্ব সীমা পরিসীমা। সে অর্থে একান্ত আপন করে পাওয়ার দাবীও নাই। অদ্ভুত! বেনিয়ম বেপরোয়া সুপ্ত প্রকাশিত প্রেম। ঠিক সমাজ স্বীকৃত প্রেম নয় বোধহয়, আবার প্রেমও। এই গল্পে প্রেমিক অজান্তে বা জেনে বুঝে জড়ায় সেই মনে মনে একাকিনী প্রেমিকার। অজানা কারণে এই প্রেমিকার হৃদয়ে ঝড় তোলে। সমাজ সংসারের দৃষ্টিভঙ্গিতে ঠুনকো এই প্রেম। এই প্রেম কাহিনীর অপর অভিমুখে দেখা যায়— প্রেমিকা এখানে অন্যজনের গৃহিণী। স্বামী, শ্বশুর বাড়ির অবহেলিতা, দুখিনী। তার জাগ্রত প্রেম সত্ত্বা নতুন প্রেমিক খোঁজে। পেয়েও যায় সহজেই, একটু চেষ্টাতেই। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই প্রেমিক স্বাত্মীয় হয়। আবার পাড়াপড়শি বা অন্যকেউও হতে পারে। প্রেমিক অবিবাহিত হয়, বিবাহিতও হয় কখোনো। একপ্রকারের পরকীয়া সম্পর্ক বললেও হয়, কিন্তু না বলাই সমীচীন, সন্মান প্রদর্শিত। কেননা এখানে চাওয়া পাওয়ার দাবী সামান্য। এ এক দ্বিতীয় অনাহূত প্রেম, জীবনের। আত্মার প্রথম ই বলা যায়। এই সম্পর্কে য...

বিপ্লবের হাতে গোলাপ

বিপ্লবের হাতে গোলাপ ✍️ রিন্টু সাহা তোমার যত প্রেম, ক্ষমতা প্রর্দশনে-- বন্দুক উঁচিয়ে; দখল নাও সময় জমি, কর্তৃত্ব ফলাতে চাও, যখন তখন শরীরে_ লেপ্টে দিতে চাও; ক্ষত, তোমার পতাকার। বাগে না পেলে; পেটাও, রাস্তায় ফেলে-- জলকামান; টিয়ার গ্যাসে দমাও বিপ্লব। আইনের কৌশলে তোল ; পুলিশ ভ্যানে ... ধরে ফেলেছি; তোমার নকশা, মুখোশ_ জবাব তোমায় দিতেই পারি, তোমার ভাষায়... সময় এলে ঠিক ই দেব, তবে আজ নয়! আজ ভাসাব তোমায় ; কেবল, শুভেচ্ছায়! বন্দুক তোমার থাক; আমার হাতে শুধু - গোলাপ...

অসমাপ্ত প্রেম

অসমাপ্ত প্রেম রিন্টু সাহা না! তারপর, সেইদিন থেকে আর কথা হয়নি কোন আমাদের। সে বলেছিল  তাদের বাড়ি আর যেন না আসি, শুনে প্রচন্ড কষ্ট পেয়েছিলাম বুকে। সেই ব্যথা কাঁটিয়ে উঠতে পারিনি আজো! তাই আমিও আর যাইনি। ওই দিনের পর বেশ কয়েকবার দেখা হয়েছিল, কলেজে পড়াকালীন। কখনো আর কথা বলতে পারিনি আমি! তাকে দেখলে বুকটা খা খা করত। অদ্ভুত রকমের অস্থিরতা অনুভব করতাম। খুব কাছাকাছি হয়ে যেতাম যখন দু-এক দিন। নিজের উপর আর নিজের আয়ত্ব থাকত না। ভাবতাম, এই বুঝি কি সব করে বসবো! কিছুই করা হয়নি, তাও কোনদিনই! আশায় থাকতাম, ও নিজে থেকেই একদিন _ আবার কথা বলা শুরু করবে... কিন্তু করে নি আর, আজো... চোদ্দ বছর কেটে গেল মাঝে _ প্রেম শুরু হবার আগে  খুব ভালো বন্ধু ছিলাম  আমরা দুজনে। সেই বন্ধুত্বটাও মিস করি অনেক! আমাদের বিচ্ছেদের তিন বছর পর ওর বিয়ে হয়। বাড়ির দেখা ছেলের সাথেই হয়েছে মনে হয়! জানিনা সঠিক। সেই খোঁজ নেবার উৎসাহ পাইনি, কোনদিনই মন থেকে। বিয়ের কয়েক বছর পর  দেখা হয়েছিল, ওর সাথে স্টেশনে। দূর থেকে দেখেছি ওকে, সেও নিশ্চিত দেখেছিল। তাকাতে পারিনি মুখের দিকে! চলে গেছি সেখান থেকে, বুকে পাথর চেপে। ও...

শিক্ষিত বেকারের খেদোক্তি

শিক্ষিত বেকারের খেদোক্তি রিন্টু সাহা দু’চোখ ভরা সুদিনের স্বপ্ন নিয়ে রাতে বালিশে মুখ গুজে কাঁদে বাংলার যুবক যুবতীরা আজ ডিগ্রির বোঝা বহন অসহ্য লাগে আয়নায় নিজের মুখের দিকে তাকাতে ভয় করে ওদের বাড়িতে ,পাড়ায় অপমানিত হতে হয় পদে পদে  স্বপ্নের জোর বুকে নিয়ে তাও আরো একটি দিন পেরোয় এভাবেই মাস কাটে, বছর ঘোরে ওদের ভাগ্যের চাকা ঘোরে না জীবন থেকে সোনালী সময় হারিয়ে যায় বন্ধু বান্ধব হারিয়ে যায় একে একে প্রেমিকার বিয়ে হয়ে যায় অন্য কোথাও কারো মা মারা যায় কারো বাবা কে হারাতে হয় পৃথিবীর কঠিন বাস্তবতায় দিশাহীন হয়ে পরে কেও কেও নিজে আত্মহত্যা করে সবাই সেপথে যেতে পারে না অপমান কে নিত্য সাথী করে বাঁচছে বাংলার, দেশের আগামীর পিতা মাতারা _ যেভাবে সময় চলছে অনেকেরই বিয়ে করা হবে না এ জীবনে একটা প্রজন্ম ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে পরবর্তী প্রজন্মের ভবিষ্যতও গভীর অন্ধকারে কোনো হেলদোল নেই সরকারের শিক্ষার এমন অবমূল্যায়ন কখনো হয়েছে কিনা আগে সেটাই গবেষণার বিষয় এদিকে গবেষণা করা ছাত্রটিও শশ্মানে ডোমের চাকরি করছে যোগত্যার মাপকাঠিতে কেউ ই ঠিক জায়গায় নেই আজকে রাজ্যে তথা দেশে শিক্ষিতরা প্রাপ্য চাকরির দাবিতে...

স্বপ্নের জগতে গত রাতে

স্বপ্নের জগতে গত রাতে     রিন্টু সাহা গতকাল রাতে একটা স্বপ্ন দেখছিলাম স্বপ্নের মধ্যে দেখি বিছানায় শুয়ে আছি আর স্বপ্ন দেখছি সেই স্বপ্নের সবকিছু মনে নেই পুরোপুরি আবছা কিছু কিছু মনে আছে দেখছি পৃথিবীর তাবড় তাবড় দেশ নেতারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছে এক গোপন ভিডিও কল বৈঠকে_ কিভাবে ক্ষমতা আরো দীর্ঘায়িত করা যায়, নিজেদের সুরক্ষা আরো আঁটোসাঁটো করার ফন্দিফিকির করছে একটু আড়মোড়া ভেঙে শুতে গিয়ে দৃশ্য পাল্টে গেল এখন দেখছি সমস্ত বড় বড় শিল্পপতি বৈঠকে বসে বাজার দখল, কার শেয়ার কত থাকবে গভীর ভাবনায় নকশা আঁকছে তাদের সহযোগী কিসব লিখছে ল্যাপটপে আর পাওয়ার পয়েন্ট এ দেখাচ্ছে আগামী প্রজেক্ট এসব গোপন বিষয় এ সাধারণের প্রবেশ নিষেধ কিভাবে ঢুকে পরেছি জানিনা ঘেমে নেয়ে যাচ্ছি, গরম লাগছে ভরা শীতে মশা কামড়েছে কিনা জানিনা তবে পাশ ফিরে শুই আবার অন্য দৃশ্যে এসে পরি দেখি দেশের শাসক ও বিরোধী দলের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ হাঁসি ঠাট্টা করছে একসাথে কে কতটা ভাঁওতাবাজি দিয়ে বোকা বানিয়ে রাখতে পারছে জনগণকে সেই নিয়ে খিল্লি উড়াচ্ছে আর দেদার খাওয়া দাওয়া অনেক ধোঁয়া উড়ছিল  তাই সব ভালো মত দেখতে পাইনি ...

আমার ভাল্লাগে না!

আমার ভাল্লাগে না!    রিন্টু সাহা হ্যা! বন্ধু আপনাকেই বলছি, আপনি কি জীবন নিয়ে চূড়ান্ত অখুশি? প্রচন্ড অশান্তি সারাদিন মন জুড়ে? কোন কিছুই ভাল্লাগে না? কি করলে ভালো লাগবে? সমাধান অধরা মরীচিকার মত_ এদিকে আপনার ঘুম, খিদে ঠিকই আছে শুধু মন নিয়েই ফাঁপরে  এক কথায় লাইফে কিক নেই আপনার একটা কাজ করলে সমস্ত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে_ একটা গোটা দিন ধার্য করুন এই কাজে সকাল সকাল নেয়ে খেয়ে নিন মাঞ্জা মেরে চুল আঁচরে ভালো জামা কাপড় পরে পারফিউম, বডি স্প্রে নিন গায়ে পোশাকে ব্যাস এবার বেড়োন বাড়ি থেকে কাছাকাছি দু'একটা বড় সরকারি হাসপাতালে ঘুড়ুন দু তিন ঘণ্টা থাকুন, ভালো করে দেখুন সবকিছু _ চাইলে কয়েকজনের সাথে কথাও বলতে পারেন শুনতে পারেন তাদের সমস্যার কথা এবার নিশ্চয়ই খিদে পেয়েছে আপনার? সামনেই অনেক হোটেল পাবেন জম্পেশ করে খেয়ে নিন যা মন চায় খেয়ে উঠে সিগারেট এ সুখ টান দিন। প্রথম পর্ব শেষ। এবার যেতে হবে  কাছাকাছি কোন এক শশ্মানে ট্রেন অটো বাস টোটো যা খুশি তে চাপুন আপনি বাড়ি থেকে বাইকে বা নিজের গাড়িতে বেরলো তো কথাই নেই শশ্মানে এলেন এবার আপনি আপনার কোন পরিচিত বন্ধু বা আত...